Friday, January 24

অস্ট্রেলিয়ায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী



অস্ট্রেলিয়ায় বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সেখানে হোটেল কক্ষেই তিনি দেখা করেন ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান থাই নগক থিন ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

২০২০-২০২১ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) সদস্য পদে প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন প্রত্যাশা করেছে ভিয়েতনাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যাং থাই নাগক থিন সৌজন্য সাক্ষাতকালে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের পরে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮তে ভূষিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং তার নেতৃত্বে নারী মুক্তি এবং নারীর ক্ষমতায়ন এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

ড্যান থাই নগক থিন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের কর্মকাণ্ড এবং ব্যবসা-বাণিজ্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। এ সময় তিনি ঢাকা এবং নমপেনের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনেও আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

এরআগে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি শুক্রবার শেখ হাসিনার হোটেল কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন। সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সাহায্য প্রদানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকের পরে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে অস্ট্রেলীয় সরকারের ভূমিকা কী হতে পারে সে সম্পর্কে জানতে জুলি বিশপ বৈঠকে আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার সরকারের প্রতি চাপ অব্যাহত রাখার এবং বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার আহবান জানান।

সাক্ষাতে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও তারা (মিয়ানমার) এটাকে অস্বীকার করছে না কিন্তু তারা চুক্তির বাস্তবায়নও করছে না।

অস্ট্রেলীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদানে শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন। অস্ট্রেলিয়া এ বিষয়টিতে সর্বান্তকরণেই বাংলাদেশের পাশে থাকছে, বলেন তিনি। বৈঠকে জুলি বিশপ শেখ হাসিনাকে নারী মুক্তি এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্ব নারীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক এবং সাহসী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *