Tuesday, January 21

কাবিলা যেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা



আজ ৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। এই দিনে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা হাজির হন বাংলা চিত্রের পীঠস্থান বিএফডিসিতে। চলচ্চিত্র অভিনেতারাও সবাই উপস্থিত হতে থাকেন তাঁদের প্রিয় জায়গায়। মঙ্গলবার অনেকের মতোই এফডিসিতে আসেন কমেডি অভিনেতা কাবিলা। সাদা জুতা, কালো ট্রাউজার, সাদা টি-শার্ট, ক্যাপ, সাদা ফ্রেমের চশমা, দুই কানে দুল পরে দেখা গেল ক্যান্টিনের সামনে কাবিলাকে। একটু পরেই জায়গাটা লোকারণ্যে ভরে গেল।

কাছে গিয়ে বোঝা গেল বিষয়টা আর কিছুই নয়। ভিড়টা কাবিলাকে ঘিরেই। কাবিলা সাধারণ চলচ্চিত্রের দর্শকদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়। বিশেষ করে সিনেমার মাঝে তার বরিশাল অঞ্চলের সংলাপ প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের ভিন্নমাত্রার বিনোদন দেয়। এজন্যই কাবিলার একটি বড়শ্রেণীর ভক্ত রয়েছে। এমনই ভক্তশ্রেণীই ঘিরে ধরে কাবিলাকে।

একই চিত্র দেখা গেল ৩ নম্বর ফ্লোরের কাছে। কাবিলাকে ঘিরে অটোগ্রাফ, ফটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য উৎসাহী জনতার ভিড়। একজনের ছবি তোলা হয়ে গেলে আরেকজন এগিয়ে আসছেন। এভাবেই কাবিলা ভক্তদের আবদার পূরণ করছেন। যেন কাবিলা হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা।  কাবিলা যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই পিছু নিচ্ছে সবাই।

সাধারণত বছরের সব দিন সাধারণের জন্য এফডিসিতে প্রবেশ সীমিত থাকে। চলচ্চিত্র দিবসের দিনটিই সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আর এজন্য এদিন বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা ভিড় জমান প্রিয় এফডিসিতে। কেননা এই দিনটিতে তারা একনজর দেখতে পাবেন প্রিয় অভিনেতাকে।

মান্না ডিজিটাল কালার ল্যাব, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি প্রাঙ্গনে যখন ভক্তদের আবদার পূরনে হাঁপিয়ে উঠেছেন তখন নিজেকে একটু আড়াল করতে মুখে মাস্ক ব্যবহার করলেন। এরপর বেশকিছুক্ষণ মাস্ক পরেই চলচ্চিত্র দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এরই মাঝে কাবিলা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, বেশকিছুদিন ধরে অসুস্থতার কারণে চলচ্চিত্র থেকে দূরে আছেন। আরামবাগের বাসাতেই সময় কাটে। এছাড়াও  এছাড়া পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিন ভাণ্ডারিয়া গ্রামেও যাওয়া আসা করেন।

কাবিলা ১৯৮৮ সালে ‘যন্ত্রণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার শুরু করেন।  ২০০৩ সালে ‘অন্ধকার’ ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার  পান এই অভিনেতা।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *