Monday, January 20

কারাগারে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে সরকার: সিলেট বিএনপি



সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে বেগম খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েশি রায়ে কারাগারে আটকে রেখেই ক্ষান্ত হয়নি। কারাগারে বিনা চিকিৎসায় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে। এছাড়া তিনি ৫ জুন কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে যান এ সময় তিনি ৫-৭ মিনিট অজ্ঞান ছিলেন।

রোববার (১০ জুন) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে সিলেট নগরীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।

তারা আরও বলেন, চিকিৎসক ও দলের পক্ষ থেকে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত রেখে বাকশালী সরকার আইন ও মানবাধিকারের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতি অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের বর্বরতা ও অমানবিক আচরণ পাক বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। কোন টালবাহানা ষড়যন্ত্র নয়, অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তি দিয়ে তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে দুর্বলতা মনে করলে সরকারকে কঠোর মূল্য দিতে হবে।

মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মিছিলটি নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নগরীর জিন্দাবাজার পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক। মিছিলে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল, জাসাস ও ওলামা দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সহসভাপতি একেএম তারেক কালাম, মহানগর সহসভাপতি আমির হোসেন, জেলা উপদেষ্টা মাজহারুল ইসলাম ডালিম, জেলা সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল মোর্শেদ, বিএনপি নেতা নজিবুর রহমান নজিব, মহানগর দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মো. ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, মহানগর প্রকাশনা সম্পাদক জাকির হোসেন মজমুদার, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. আশরাফ আলী, শ্রম সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, পরিবেশ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব.

বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনসমূহের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন বুরহান উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, সেলিম আহমদ রনি, নজির হোসেন, সরোয়ার হোসেন, আব্দুস সবুর, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, কয়েস আহমদ সাগর, মাহবুবুল হক চৌধুরী, শফিকুর রহমান টুটুল, এম মখলিছ খান, শামসুর রহমান শামীম, আশরাফ বাহার, মকসুদুল করিম নোহেল, কামরুজ্জামান দিপু, জিয়াউর রহমান দিপন, খোকন ইসলাম, ইসমাইল আলী, মুজিবুর রহমান মুজিব, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, আশরাফ সিদ্দিকী রাহাত, নুরুল ইসলাম লিমন, মঈনুল হক স্বাধীন, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, রাশেদুল হাসান খালেদ, ফখরুল ইসলাম, আক্তার আহমদ, আজিজুল হোসেন আজিজ, রোমান আহমদ, মির্জা জাহেদ, আলতাফ হোসেন সুমন, আফসর খান, কামরান হোসেন হেলাল, জিএম সেলিম চৌধুরী, ইসহাক আহমদ, সুদীপ সেন, নজরুল ইসলাম, বদরুল ইসলাম, শিহাব খান, আব্দুল হাসিব, সুহেল ইবনে রাজা, কামরান আহমদ, বেলাল আহমদ, আলী আকবর রাজন, মিজানুর রহমান মিজান, রুবেল ইসলাম, সুমন আহমদ বিপ্লব, মোহাম্মদ আলী দিলোয়ার, শেখ সোহান, মঈন খান, মহসিন তালুকদার, হুমায়ুন রশীদ, শিবু হাসান, জুনেদ আহমদ, আল আমীন, মুজাহিদুল ইসলাম মহি, আবু সালেহ, ফাহাদ আহমদ হাবীব, মিসবাহ উদ্দিন ইমন, আব্দুল কাদির, মাসুম আহমদ লস্কর, খালেদ আহমদ, শিপন চন্দ ও জুনেদ আহমদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *