Sunday, January 19

‘খালেদাকে মাইনাস করলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই মাইনাস হবেন’



মাইনাস টু ফরমুলার কুশীলরা এখনো সক্রিয় মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, যারা মাইনাস টু’র পরিকল্পনা করেছিল তারা এখন একজনকে দিয়ে আর একজনকে মাইনাস করতে চাচ্ছে।

‘তখন শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে যারা মাইনাস করতে চেয়েছিল। এখন তারাই শেখ হাসিনাকে দিয়ে খালেদা জিয়াকে মাইনাস করতে চায়। যদি একজনকে মাইনাস করতে পারে তাহলে আর একজনকেও তারা মাইনাস করে দেবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ ও গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক জোটের যৌথ উদ্যোগে ‘খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে’ আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, শেখ হাসিনার মাধ্যমে যারা খালেদা জিয়াকে মাইনাস করাতে চায় তারা যদি খালেদা জিয়াকেই মাইনাস করাতে পারে, তার কয়েকদিনের মধ্যে শেখ হাসিনাকেও তারা মাইনাস করবে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্র থেকে আপনি সরে আসুন। না হলে মাইনাস টু এর যে পরিকল্পনা ছিল তা বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। আপনি খালেদা জিয়াকে মাইনাস করবেন; তা ভুলেও চিন্তা করবেন না।

খালেদা জিয়াকে নয়, দেশের গণতন্ত্রকে কারাগারে রাখা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার উচ্চতর আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্বিত করছে। শুধু আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। কারণ বিচার বিভাগ স্বাধীন থাকলে অন্যায়ভাবে তাকে ৫ বছরের সাজা দেয়া যেত না।

‘তাই আমরা বিচার বিভাগ থেকে তার মুক্তি আর আশা করতে পারি না। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন করেই মুক্ত করতে হবে।’

তিনি বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছি। একটা সময় ধৈর্যের সীমা থাকবে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষ কঠিন থেকে কঠিনতম আন্দোলনে যাবে। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কোনো স্বৈরাচারই গণজাগরণের সামনে টিকতে পারে নাই। আইয়ুব খান, এরশাদ টিকতে পারে নাই। শেখ হাসিনাও টিকতে পারবে না।

খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী’র সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

আরো বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সভাপতি এড. সৈয়দ এহসানুল হুদা প্রমুখ।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *