Saturday, January 18

সিলেট আবাসিক হোটেল গুলোতে চলছে পোষাকি চাঁদাবাজি



সুনির্মল সেন:: সিলেট নগরীর আবাসিক হোটেল গুলো ঘিরে একটি অপরাধী চক্র তৎপর রয়েছে। এখানে এই চক্র দেহ ব্যবসা সহ বিভিন্ন রকমের অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন এব্যাপারে মুখে কুলোফ এটে রহস্য জনক ভূমিকা পালন করছে।
বন্দর বাজার, লালবাজার, ধুুপাদিঘীরপার, শোবহানীঘাট, সুরমা মার্কেট, সুবিদবাজার, দক্ষিণ সুরমার অবস্থিত এসব হোটেল গুলোতে নিয়মিত খদ্দের হিসেবে তাকে বিভিন্ন মামলার আসামী, চোরাকারবারী ও সন্ত্রাসীরা। হোটেল কতৃপক্ষ যানে এরা আইন বিরুধী কাজে লীপ্ত, তবুও তারা এদের শেল্টার দেয়। হোটেল কতৃপক্ষকে সাহায্য করে পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন শাখার একটি গ্রুপ। আবাসীক হোটেল গুলোতে অবস্থান করে বিভিন্ন ধরনের দালাল। এরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যুবতী মহিলা এনে হোটেল গুলোতে রাখে এবং তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালায়।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে রয়েছে এদের গভীর আঁতাত। বিশেষ একটি সুত্র থেকে জানা যায়, পুলিশ বিভাগের কিছু সিনিয়র দারগারা নিয়মিত এসব হোটেল থেকে গুরে গুরে চাদা আদায় করে। পুলিশের পক্ষ থেকে এসব দারগারা হোটেল কতৃপক্ষের কাছ থেকেও সপ্তাহিক বখরা নেন, আবার হোটেলের অভ্যান্তরে অবস্থানকারী দালাল, পতিতা ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও বিভিন্ন মামলার আসামীর কাছ থেকেও চাদা নেন। এই চাদার বিনিময়ে পুলিশ হোটেলের অবৈধ ব্যবসায়ীদের ব্যবসার বেগাত ঘটায় না, আবার অপরাধীদের দেয় নিরাপত্তা। অপরাধীরা এসব হোটেলে অবস্থান করে নিরাপদ ভাবে, পুলিশ তাদের বন্দু। অপরাধীদের যখন পুলিশ নিরাপত্তা দেয়, তখন নিরীহ সাধারন জণগনের অবস্থা কি হবে?
এবস্থার পরিবর্তন গঠাতে পারেন একমাত্র আইন শৃঙ্খাবাহিনীর উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ।
এই হোটেল গুলো থেকে দেহ ব্যবসায়ী সহ অবস্থানকারী বিভিন্ন অপরাধীদের উৎখাত করে শান্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব নিতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকেই। এটা সিলেটের সচেতন মহলের একান্ত দাবী।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *