Tuesday, January 21


আল আকসা মসজিদ
আল আকসা মসজিদ

‘বৃহত্তর জেরুজালেম মানেই মসজিদ-গির্জার ধ্বংস’

তিন ধর্মের মানুষের কাছে পবিত্র ভূমি জেরুজালেমে ইসরায়েলের আগ্রাসী দখলদারিত্ব শহরটির মুসলিম ও খ্রিস্টানদের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন ফিলিস্তিনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসন চলতে থাকলে জেরুজালেমের মসজিদ ও গির্জাগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে।

স্থানীয় সময় বুধবার জেরুজালেম শহরে এক সম্মেলনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা। সেখানে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং আরব ও মুসলিম বিশ্বের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফিলিস্তিনের মুসলিম-খ্রিস্টান কমিটির সাধারণ সম্পাদক হান্না ইসা বলেন, জেরুজালেমের ৯৫ শতাংশ এরই মধ্যে ‘ইহুদিকরণ’ করেছে ইসরায়েল। তাদের ‘বৃহত্তর জেরুজালেমের’ লক্ষ্য শহরটিতে মুসলিমদ ও খ্রিস্টানদের পরিচিতি ও গুরুত্ব মুছে ফেলবে।

ইসা আরও বলেন, ‘ইসরায়েল ৬০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় তথাকথিত বৃহত্তর জেরুজালেম নির্মাণ করতে চাচ্ছে। এর অর্থ হলো শহরের গির্জা ও মসজিদগুলো ধ্বংস করা।’

সম্মেলনে জেরুজালেম এনডাউমেন্টের চেয়ারম্যান মুনিব মাসরি বলেন, ‘বিশ্ববাসীর এটা বোঝা উচিত, জেরুজালেম ফাইলের সন্তোষজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত শান্তি ফিরে আসবে না।’

এ সময় জেরুজালেমকে ‘বিভিন্ন ধর্মের জন্মস্থান’ বলে উল্লেখ করেন ফিলিস্তিনের ধর্ম সংক্রান্ত মন্ত্রী ইউসেফ ইদায়েস।

১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের জের ধরে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। তবে সেই দখলদারিত্বের স্বীকৃতি মেলেনি আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে।

সেই সময় থেকেই জেরুজালেমে ইসরায়েলি ইহুদিদের জন্য বেশ কিছু বসতি গড়ে তুলেছে। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি জেরুজালেমের ফিলিস্তিনি অংশের মধ্যেও পড়েছে। পূর্ব জেরুজালেমে মোটমাট দুই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *