Saturday, January 18

অন্যান্য

কোরআন শরিফের কপি বেশ পুরোনো হয়ে গেলে করণীয়

কোরআন শরিফের কপি বেশ পুরোনো হয়ে গেলে করণীয়

অন্যান্য
নিউজ ডেস্ক :: আমাদের বাড়িতে কয়েকটি পুরোনো কোরআন শরিফ রয়েছে। পাশাপাশি বাড়ির মসজিদেও কোরআন কারিমের পুরাতন বেশ কিছু কপি আছে। সেগুলো খুবই পুরোনো হয়ে গেছে। ফলে এখন আর পড়ার উপযুক্ত নেই। ভীষণ জরাজীর্ণ হয়ে এসেছে। আমার জানার বিষয় হলো, আমরা যদি কোরআনের পুরাতন কপিগুলো সরিয়ে নতুন কপি সরবরাহ করতে চাই, তাহলে আমাদের করণীয় কী? জানিয়ে উপকৃত করবেন। ধন্যবাদ। উত্তর: পবিত্র কোরআনের পুরাতন কপিগুলো তেলাওয়াতের অনুপযুক্ত হয়ে গেলে যত্ন করে সরিয়ে নিতে হবে। এরপর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন কাপড়ে পেঁচিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। তবে এমন জায়গায় দাফন (পুঁতে) করতে হবে, যেখানে মানুষের চলাচল নেই। ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতে রয়েছে, পবিত্র কোরআনের পাতা পুরাতন হয়ে গেলে, সাহাবায়ে কেরাম তা মাটিতে পুঁতে ফেলার আদেশ দিতেন। (ফাজাইলুল কোরআন, বর্ণনা : ৬৫) আর যদি পুঁতে ফেলা সম্ভব না হয়, তাহলে ভারী কোনো বস্তুর সঙ্গে বেঁধে গভীর কোনো জলাশয়ে ডুবিয়ে
মানসিক সমস্যা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমরা কতটা সচেতন?

মানসিক সমস্যা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমরা কতটা সচেতন?

অন্যান্য
ফারাহ্‌ মাহমুদ :: একজন পরিপূর্ণ সুস্থ মানুষ হতে শরীর-মন দুটোরই সুস্থতা প্রয়োজন। কিন্তু, শারীরিক সুস্থতাকে আমরা যতটা গুরুত্ব দেই, মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক ততটাই অবহেলিত। মানসিক স্বাস্থ্যও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ, সেটা যেন সবাই ভুলেই যাই! যার মন সুস্থ নয়, তার শরীরও পুরোপুরি সুস্থ থাকতে পারে না। আমাদের দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রায় নেই বললেই চলে। দেশের মানুষ এখনো নিজের মানসিক সমস্যার কথা বলতে সংকোচবোধ করে। কিন্ত, অন্য শারীরিক রোগের মতোই মানসিক রোগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এদেশে মানসিক রোগীদের ‘পাগল’ বলে হেয় করার মানসিকতা রয়েছে। এ কারণে অনেকেই নিজের মানসিক সমস্যা চেপে রাখেন ও কষ্ট পান। এভাবে ছোটখাটো কোনো মানসিক সমস্যাও জটিল রূপ নিতে পারে। প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’। বিশ্ব
যেসব মানুষের গিবত করা যায়

যেসব মানুষের গিবত করা যায়

অন্যান্য
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ:: প্রশ্ন: কোনো ব্যক্তি যদি এমন হয় যে ধর্মীয় ক্ষেত্রে মানুষ তাকে অনুসরণ করে, অথচ তার চিন্তাচেতনার মধ্যে ভ্রান্তি আছে, এমন ব্যক্তির অনিষ্টতা ও ভ্রান্তি বিষয়ে তুলে ধরা কি গিবত হবে? উত্তর: কোনো ব্যক্তি যদি ধর্মীয় ক্ষেত্রে মানুষের কাছে অনুসরণীয় ব্যক্তি হয়, আর তার দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাচেতনা ভ্রান্ত হয়, তাহলে মানুষের সামনে তার ভ্রান্ত চিন্তা তুলে ধরা যাবে, যাতে মানুষ ওই ব্যক্তির বিভ্রান্তিপূর্ণ চিন্তাচেতনার শিকার হয়ে পথভ্রষ্ট না হয়। এটা শরিয়তের দৃষ্টিতে গিবত হবে না। বরং মানুষের দ্বিনের হেফাজতের জন্য ভারসাম্য বজায় রেখে ঝগড়া-বিবাদ থেকে বেঁচে থেকে, পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সর্বসাধারণের কল্যাণের প্রতি লক্ষ করে সেই ব্যক্তির বিভ্রান্তিমূলক চিন্তাধারা সম্পর্কে আলোচনা করা এক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রয়োজন। ইমাম নববী (রহ.) ‘রিয়াজুস সালেহিন’ কিতাবে এবং ইমাম গাজ্জালি (রহ.) ‘ইহইয়া’ কিতাবে লি
কারবালা দেখতে এখন যেমন

কারবালা দেখতে এখন যেমন

অন্যান্য
মুফতি মুহাম্মাদ মিনহাজ উদ্দিন:: আশুরার দিনে তাৎপর্যবহ বিভিন্ন ঘটনা রয়েছে। তবে কারবালার ইতিহাস আলোচিত ও চর্চিত অধ্যায়। প্রিয়নবী (সা.)-এর দৌহিত্র হুসাইন (রা.) পরিবার-পরিজন ও সঙ্গী-সাথীসহ মোট ৭২ জন কারবালা-প্রান্তরে শহীদ হন। কারবালা প্রান্তরের হৃদয়বিদারক সেই ঘটনা আজও মানুষকে শোকাবিদ্ধ এবং বেদনার্ত করে। কারবালা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরাকের মধ্যবর্তী একটি শহর। রাজধানী বাগদাদ থেকে ১০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কারবালার অবস্থান। বাগদাদ থেকে ট্রেনে করে কারবালা যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কারবালার উচ্চতা ৩০ মিটার উঁচুতে। ২০১৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কারবালা প্রদেশের মোট জনসংখ্যা ৭০ লাখ। কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.)-এর কবর যেখানে। কারবালা শহরএ শহরে ইমাম হুসাইন (রা.) ও আব্বাস ইবনে আলীর কবর রয়েছে। প্রাচীনকালে এ শহরের নাম ছিল, কোর-বাবিল। কারণ, প্রাচীন ব্যাবিলনীয় কিছু গ্রামের
অনিঃশেষ স্বপ্ন :: অনিন্দ্য নূর

অনিঃশেষ স্বপ্ন :: অনিন্দ্য নূর

অন্যান্য
অনিঃশেষ স্বপ্ন মৃণালি স্রোতে ঘুমিয়ে আছো হে স্বপ্নহীন, হে তরু! দু’হাতে রাশি রাশি বিহঙ্গের মৃত ডানার গন্ধ; অন্ধকার রাত থেকে চুরি করে নিয়েছে ওরা আমাদের কয়েকটি হিম নক্ষত্রের মৃণালি চোখ। শত্রুদের সূর্য্য আড়াল করে মৃত্তিকার অস্থি-মজ্জা দিয়ে গড়েছি প্রেমের মহল, যেখানে পাপ জমছে শিশিরের মতো। ঘৃণার বিষবাষ্পে নিঃশ্বাসের ফানুস যেখানে অনিঃশেষ- আমি কখনও এক সমুদ্র মৌনতার বিষে জর্জরিত পন্নগ ঝলসে যাওয়া চোখে তাক করে আছি- পরাহত দৃষ্টি নিয়ে কোনো আকাশের হৃদয়ে! কোন ফাল্গুনের রানি হে তুমি বুকে বেদনার বৈতরণী আর হাতে বসন্তের ফুলেল ঢালা।
এখনও প্রাসঙ্গিক কাজী নজরুল

এখনও প্রাসঙ্গিক কাজী নজরুল

অন্যান্য
নিউজ ডেস্ক :: বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির! তিনি বিদ্রোহী কবি। যার এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আরেক হাতে রণ-তূর্য! আজ সেই দ্রোহ ও প্রেমের কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম প্রয়াণ দিবস। মঙ্গলবার (১২ ভাদ্র) ধূমকেতুর সঙ্গে তুলনীয় এই মহান কবির মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯৭৬ সালের ১২ ভাদ্র ঢাকায় অসুস্থ অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের গতিপথ পাল্টে বিদ্রোহ-প্রতিবাদ-প্রতিরোধের ধারা তৈরি করেন। উন্নত কণ্ঠে উচ্চারণ করেন সাম্য আর মানবতার কথা। ধ্যান-জ্ঞান, নিঃশ্বাস-বিশ্বাস, চিন্তা-চেতনায় তিনি সম্প্রীতির কবি, অসাম্প্রদায়িক মেরুদণ্ড। নজরুলের সাহিত্যকর্মে প্রাধান্য পেয়েছে প্রেম, মুক্তি ও বিদ্রোহ। ধর্মীয় ভেদাভেদের প্রাচীর ভাঙার ঘোষণা দেন তিনি। ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক লিখলেও তিনি কবি হিসেবেই বেশি পরিচিত। তবে বাংলা কাব্যে এক নতুন ধারার জন্ম দেন তিনি-
শিশুদের আকিকার পরিচয় ও নিয়ম-বিধান

শিশুদের আকিকার পরিচয় ও নিয়ম-বিধান

অন্যান্য
নিউজ ডেস্ক :: প্রশ্ন: আকিকা কী ও তার হুকুম কী? আকিকা আদায়ের সময় নির্দিষ্ট আছে কি না? আকিকা আদায়ের নিয়ম কী? নিজের আকিকা নিজেই আদায় করতে পারবে নাকি তা পিতাকেই আদায় করতে হবে? আকিকার গোশত পিতামাতা ও আত্মীয়রা খেতে পারবে? এসব বিষয়ে জানিয়ে বাধিত করবেন। উত্তর: সন্তান জন্মের পর আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায়ের লক্ষ্যে জন্মের সপ্তম দিনে পশু জবাই করাকে আকিকা বলে। আকিকা করা মুস্তাহাব। হাদিস শরীফে আকিকার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুল (সা.)-কে আকিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্তানের আকিকা করার ইচ্ছা করে, সে যেন তা পালন করে। ছেলের জন্য সমমানের দুইটি ছাগল। আর মেয়ের জন্য একটি।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস: ৭৯৬১) অন্য হাদিসে আছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, সন্তানের সঙ্গে আকিকার বিধান রয়েছে। তোমরা তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত করো (অর্থাৎ পশু যবাই কর) এবং সন্তানের শরীর থেকে কষ্টদায়ক বস্ত
কাউকে ক্ষমা করলে আল্লাহ সম্মান বাড়িয়ে দেন

কাউকে ক্ষমা করলে আল্লাহ সম্মান বাড়িয়ে দেন

অন্যান্য
নিউজ ডেস্ক :: ভুল-ত্রুটি ও ভালো-মন্দের মিশেলে মানুষের জীবন। কেউ ভুল-ত্রুটির উর্ধে নয়। কিন্তু কারো ভুলে তার প্রতি ক্রোধ দেখানো, রাগ ঝাড়া, জেদ-উত্তেজনা কিংবা উগ্র-কাতর হওয়া ভীষণ নিন্দনীয়। এসব মানুষকে ছোট করে। আমলনামা থেকে সওয়াব মুছে দেয়। অথচ বিপরীতে ক্ষমা মানুষের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করে। কাউকে ক্ষমা করে একজন সাধারণ মানুষও হয়ে উঠতে পারে অসাধারণ মানুষে। ক্ষমাশীল মানুষ সর্বোত্তম ব্যবহারকারী ও ধৈর্যশীল। যিনি উদারপ্রকৃতির, তিনিই ক্ষমাশীল। যাদের এ ধরনের গুণাগুণ রয়েছে, তারা আল্লাহ তাআলার বিশেষ নেয়ামত প্রাপ্ত। ক্ষমাকারী ধৈর্যবান ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। যে অন্যকে ক্ষমা করে তাকেও ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা সুসময়ে ও দুঃসময়ে ব্যয় করে এবং ক্রোধ সম্বরণ করে ও মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।’
জান্নাতি পাথর ‘হাজরে আসওয়াদ’-এর ইতিহাস

জান্নাতি পাথর ‘হাজরে আসওয়াদ’-এর ইতিহাস

অন্যান্য
মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন:: ‘হাজরে আসওয়াদ’—কাবাঘরের দেয়ালে বিশেষভাবে স্থাপনকৃত একটি পাথরের নাম। আরবি ‘হাজর’ শব্দের অর্থ পাথর আর ‘আসওয়াদ’ শব্দের অর্থ কালো। অর্থাৎ কালো পাথর। ‘হাজরে আসওয়াদ’ বেহেশতের মর্যাদাপূর্ণ একটি পাথর। হজযাত্রীরা হজ করতে গিয়ে এতে সরাসরি বা ইশারার মাধ্যমে চুম্বন দিয়ে থাকেন। হাজরে আসওয়াদের কিছু বৈশিষ্ট্য হাদিসের গ্রন্থগুলোতে হাজরে আসওয়াদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে প্রচুর আলোচনা এসেছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হাজরে আসওয়াদ একটি জান্নাতি পাথর, তার রং দুধের চেয়ে বেশি সাদা ছিল। এরপর বনি আদমের পাপরাশি এটিকে কালো বানিয়ে দিয়েছে।’ (জামে তিরমিজি : ৮৭৭, মুসনাদে আহমাদ, ১/৩০৭, ৩২৯) অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘হাজরে আসওয়াদ জান্নাতেরই একটি অংশ।’ (ইবনে খুজায়মা, খণ্ড: ০৪, পৃষ্ঠা: ২২০) হাজরে আসওয়াদ চুম্বনের ফজিলত হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা বরকতময়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন এ পাথর আবু কুবাইস পা
বন্যায় স্বাস্থ্য সমস্যায় যা করতে হবে

বন্যায় স্বাস্থ্য সমস্যায় যা করতে হবে

অন্যান্য
নিউজ ডেস্ক :: প্রায় পুরো দেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। অনেকে এলাকায় বাড়িঘর পানির নিচে ডুবে গেছে। বহু মানুষ রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। এমন অবস্থায় থাকা খাওয়ার নিশ্চয়তাই জুটছে না অনেকের। বন্যার সময় নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে দেখা দেয় বিভিন্ন রোগও। এসব রোগ থেকে বাঁচতে শুরুতেই সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলেন: বন্যার সময় বিশুদ্ধ খাবার পানির ‍অভাব দেখা দেয়। বন্যার পানিতে থাকা নানা ধরনের রোগ জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ও হেপাটাইটিসের মতো অসুখ হয়ে থাকে। টিউবওয়েলের পানি নিরাপদ। কিন্তু যদি টিউবওয়েলও তলিয়ে যায়, তবে অবশ্যই ফুটিয়ে বা ফিটকিরি দিয়ে পানি পরিষ্কার করে পান করতে হবে। পানি বিশুদ্ধ করার ট্যাবলেটও ব্যবহার করা যায়। বন্যায় চর্মরোগ হতে পারে। যতটা সম্ভব শরীর শুকনো রাখতে হবে। একই গামছা বা তোয়ালে অনেকজন ব্যবহার করবেন না। হাত মুখ মুখ ধোয়া ও গোসলের সময় পরিষ্কার পানি ব্যবহার করত